উপকারী এক ফলের নাম কুল বা বরই। বড় গুণের অধিকারী হল বড়ই, অদ্ভুত সুন্দর একটি ফল হল বরই, ঔষধি এবং পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ।

প্রথম পাতা » নির্বাচিত » উপকারী এক ফলের নাম কুল বা বরই। বড় গুণের অধিকারী হল বড়ই, অদ্ভুত সুন্দর একটি ফল হল বরই, ঔষধি এবং পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ।
সোমবার ● ২৫ নভেম্বর ২০১৯


দেশি ফলের মধ্যে বরই বেশ জনপ্রিয়। বর্তমানে আমাদের দেশে নানা জাতের বরইয়ের চাষ হয়ে থাকে। এর মধ্যে নারকেল বরই, আপেলকুল, বাউকুল, থাইকুল আর দেশি টক বরই তো আছেই। বরই খেতে ভালোবাসেন কম বেশি সবাই। টক-মিষ্টি এই ফলটির রয়েছে প্রচুর পুষ্টিগুণ। পুষ্টিগুণ ছাড়াও এর রয়েছে অনেক রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা। চলুন জেনে নেয়া যাক বরইয়ের উপকারিতা উপকারিতা: বরই অত্যন্ত চমৎকার একটি রক্ত বিশুদ্ধকারক। উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বরই খুবই উপকারী ফল। ডায়রিয়া, ক্রমাগত মোটা হয়ে যাওয়া, রক্তশূন্যতা, ব্রঙ্কাইটিস ইত্যাদি রোগ খুব দ্রুত সারিয়ে তোলে এই ফল। বরইয়ের রসকে অ্যান্টি-ক্যান্সার হিসেবে গণ্য করা হয়। এই ফলের রয়েছে ক্যান্সার কোষ, টিউমার কোষ ও লিউকেমিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করার অসাধারণ ক্ষমতা। বরইয়ে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। বরইয়ের ভিটামিন সি ইনফেকশনজনিত রোগ যেমন টনসিলাইটিস, ঠোঁটের কোণে ঘা, জিহ্বাতে ঘা, ঠোঁটের চামড়া উঠে যাওয়া ইত্যাদি দূর করে। যকৃতের নানা রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে বরই। এই ফল যকৃতের কাজ করার ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। মৌসুমী জ্বর, সর্দি-কাশিও প্রতিরোধ করে বরই। এছাড়া হজম শক্তি বৃদ্ধি ও খাবারে রুচি বাড়িয়ে তোলে এ ফল। এতে বিদ্যমান ভিটামিন ‘সি’ ঠোঁটের কোণে ঘা ও চামড়া উঠে যাওয়া রোধ করে, গলার ইনফেকশন দূর করে। জিহ্বাতে ঠা-জনিত লালচে ব্রণের মতো ফুলে যাওয়া ও যকৃতের কাজের ক্ষমতা অনেক গুণ বাড়িয়ে দেয় এ বরই। ক্রমাগত মোটা হয়ে যাওয়া, রক্তের হিমোগ্লোবিন ভেঙে রক্তশূন্যতা তৈরি হওয়া থেকে রক্ষা করে বরই। নিদ্রাহীনতা দূর করতে এ ফলের জুড়ি নেই। বরই’র উপকারী ১০ গুণ, জানলে অবাক হবে আপনি! বরই, কাঁচা অবস্থায় সবুজ আর পাকলে লাল এই ফলটি প্রায় সবারই খুব প্রিয়। এটি এমন একটি ফল যেটা কাঁচা হোক বা পাকা, যেকোনো অবস্থাতেই খাওয়ার জন্য উপযুক্ত। এমনকি শুকনো বরইও খাওয়া যায়।বরই এর বিভিন্ন ধরনের আচার পাওয়া যায়। টক, ঝাল বা মিষ্টি সবই আমাদের পছন্দ। কিন্তু কখনো কি জানার চেষ্টা করেছেন যে ছোট্ট গোলগাল এই ফলটি আপনার শরীরের জন্য কতটা উপকারী? চলুন একটু জেনে নেই বরই-এর ১০ টি উপকারী দিক ক্যান্সার প্রতিরোধ বরই এর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান বিদ্যমান, যারা টিউমারের উপর সাইটোটক্সিক প্রভাব বিস্তার করে। যার ফলে শরীরে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। রক্ত পরিশুদ্ধি শুকনো বরই এর মধ্যে স্যাপোনিন, অ্যাল্কালয়েড এবং ট্রাইটারপেনয়েড উপাদান থাকে যারা রক্ত পরিশুদ্ধ করে এবং হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে। দুশ্চিন্তা এরা অবসাদ এবং দুশ্চিন্তা দুর করে। ইনসোমনিয়া বা অনিদ্রা
ইনসোমনিয়া এবং দুশ্চিন্তা অনেক মানুষের ক্ষেত্রে দেখা যায়। বরই এর শক্তিশালী কেমিক্যালগুলো অনিদ্রা এবং দুশ্চিন্তা কমিয়ে আনতে সাহায্য করে।রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এর ভেতরে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের ফ্রি র‍্যাডিকেলগুলোকে নিষ্ক্রিয় করে দেয়। এছাড়াও এর মধ্যে ভিটামিন সি, এ, বি২, ফাইটোকেমিক্যাল ইত্যাদি পাওয়া যায় যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
লিভারের সুরক্ষা শরীরের ফ্রি র‍্যাডিকেলগুলো লিভারের ক্ষতি করে। বরই এর মধ্যে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় এটি লিভারকে সুরক্ষা প্রদান করে।ওজন নিয়ন্ত্রণ বরইতে ফ্যাট নাই বললেই চলে। ২ আউন্স (প্রায় ৪টি) বরই খেলে শরীরে ৪৪ ক্যালরি শক্তি যোগান দেয়, কিন্তু ফ্যাট প্রায় শূন্য। ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণেও এরা সাহায্য করতে পারে। হাড় মজবুত করে
এই ফলে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন ইত্যাদি সহ আরো অনেক ভিটামিন ও মিনারেল পাওয়া যায় যা হাড় শক্ত ও মজবুত করতে সাহায্য করে। রক্ত সঞ্চালন আয়রন ও ফসফরাস শরীরে রক্ত উৎপাদন এবং রক্ত সঞ্চালনের প্রক্রিয়া বৃদ্ধি করে।
এছাড়াও বিভিন্ন দেশে পেটের সমস্যা দূর করতে, মাংসপেশি শক্তিশালী করতে এই ফলের ব্যবহার করা হয়ে থাকে। উপকারী এক ফলের নাম কুল
বাংলাদেশের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ফল কুল। বরই নামেও ফলটি পরিচিত। বাংলাদেশে সচরাচর যে বরইগুলো চাষ হয় তা হল: ঢাকা- ৯০, নারিকেলি, কুমিল্লা কুল, আপেল কুল, তাইওয়ান কুল ও থাইকুল। এই কুলগুলোর সাথে আর একটি কুলের নতুন সংযোজন তা হল এফটিআইপি বাউকুল-১।কুল সাধারণত পাকা ও টাটকা অবস্থায় খাওয়া হয়। কুল খাদ্য হিসাবে অত্যন্ত সমৃদ্ধ। মিষ্টি স্বাদের জন্য প্রায় সব বয়সের মানুষই কুল পছন্দ করে।আসুন জেনে নেই বরইয়ের গুণাগুণ:বিভিন্ন খনিজ এবং ভিটামিন এ ও ভিটামিন সি-এর একটি ভালো উৎস হচ্ছে কুল। কুলে সাধারণ ৮৫.৯ ভাগ পানি, ০.৮ ভাগ আমিষ, ০.১ ভাগ স্নেহ, ১২.৮ ভাগ লৌহ থাকে। প্রতি ১০০ গ্রাম শাঁসে ৫৫ ক্যালরি শক্তি, ৭০ আই. ইউ. ক্যারোটিন ও ৫০-১৫০ মিঃ গ্রাঃ ভিটামিন সি বিদ্যমান। বরই খাওয়ার উপকারিতা:
আমাদের দেশের বিভিন্ন প্রজাতির বরইয়ে বিদ্যমান ভিটামিন সি গলার ইনফেকশনজনিত অসুখ যেমন-টনসিলাইটিস, ঠোঁটের কোণে ঘা, জিহ্বাতে ঠাণ্ডাজনিত লালচে ব্রণের মতো ফুলে যাওয়া, ঠোঁটের চামড়া উঠে যাওয়া রোধ করে। যকৃতের কাজের ক্ষমতা অনেক গুণ বাড়িয়ে দেয় বরই।বরইয়ের রস অ্যান্টি ক্যান্সার ড্রাগ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এই ফলে রয়েছে ক্যানসার সেল, টিউমার সেল, লিউকোমিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করার অসাধারণ শক্তি।উচ্চরক্তচাপ এবং ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এই ফল যথেষ্ট উপকারি। রক্ত বিশুদ্ধকারক হিসেবে এই ফলের গুরুত্ব অপরিসীম। ডায়রিয়া, ক্রমাগত মোটা হয়ে যাওয়া, রক্তের হিমোগ্লোবিন ভেঙে রক্তশূন্যতা তৈরি হওয়া, ব্রঙ্কাইটিস-এসব অসুখ দ্রুত ভালো করে বরই। খাবারে রুচি আনার জন্যও এই ফলটি ভূমিকা পালন করে।মৌসুমি জড়, সর্দি-কাশির বিরুদ্ধে গড়ে তোলে প্রতিরোধ।স্ট্রেস হরমোন আমাদের মনে অবসাদ আনে, দুঃখ-কষ্টের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়, নিদ্রাহীনতা তৈরি করে। নিদ্রাহীনতা দূর করে এই ফল। এবং স্ট্রেস হরমোন নিঃসরণের মাত্রা কমায় এই ফল।বরইয়ের খোসা খাবার হজমে সাহায্যে করে। উচ্চমানের ভিটামিন এ রয়েছে এই ফলে। আর ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং কোলস্টেরল কমানো জন্য রয়েছে এর চমকপ্রদ ক্ষমতা। বড় গুণের বরই বরই, বড়ই বা কুল আমাদের দেশে খুবই জনপ্রিয় একটা ফল। যদিও এর আদি নিবাস আফ্রিকা, তবু বাংলাদেশে তো বটেই এটি পুরো দক্ষিণ এশিয়ায় বহুল পরিচিত একটি ফল। মজার ব্যাপার হলো বরই-এর সরাসরি কোনো ইংরেজি নাম নেই! তবে সাধারণত একে Jujube বা Chinese date নামে ডাকা হয়। এর বৈজ্ঞানিক নাম Ziziphus zizyphus। আমাদের দেশে ডিম্বাকার বরইকে সাধারণত ‘কুল বরই’ বলা হয়। এর বৈজ্ঞানিক নাম Zizyphus mauritiana। বাংলাদেশের প্রায় সর্বত্রই, সব ধরনের মাটিতে বরই গাছ জন্মে। বরই গাছ ছোট থেকে মাঝারি আকারের ঝাঁকড়া ধরনের বৃক্ষ। বরই গাছ সাধারণত ১২-১৩ মিটার লম্বা হয়। এই গাছ পত্রঝরা স্বভাবের অর্থাত্‍ শীতকালে পাতা ঝরে এবং বসন্তকালে নতুন পাতা গজায়। সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে গাছে ফুল আসে এবং ফল ধরে শীতকালে। কাঁচা ফল সবুজ। তবে পাকলে হলুদ থেকে লাল রং ধারণ করে। কাঁচা ও পাকা দু ধরনের বরই-ই খাওয়া যায়। স্বাদ টক ও টক-মিষ্টি ধরনের। তবে কুল বরই মিষ্টি হয়। বরই শুকিয়ে দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যায়। কাঁচা ও শুকনো বরই দিয়ে চমত্‍কার চাটনি ও আচার তৈরি করা যায়। বরইয়ের রয়েছে ব্যাপক পুষ্টিগুণ। প্রতি ১০০ গ্রাম বরইয়ে রয়েছে -
খাদ্যশক্তি- ৭৯ কিলোক্যালরি শর্করা- ২০.২৩ গ্রাম চর্বি- ০.২ গ্রাম আমিষ- ১.২ গ্রাম জলীয় অংশ- ৭৭.৮৬ গ্রাম ভিটামিন এ- ৪০ আইইউ থায়ামিন- ০.০২ মিলিগ্রাম রিবোফ্লাভিন ০.০৪ মিলিগ্রাম নিয়াসিন ০.৯ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি৬- ০.০৮১ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি- ৬৯ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম- ২১ মিলিগ্রাম আয়রন- ০.৪৮ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম- ১০ মিলিগ্রাম ম্যাংগানিজ- ০.০৮৪ মিলিগ্রাম ফসফরাস- ২৩ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম- ২৫০ মিলিগ্রাম সোডিয়াম- ৩ মিলিগ্রাম জিংক- ০.০৫ মিলিগ্রাম পুষ্টিগুণ ছাড়াও বরইয়ের রয়েছে অনেক রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা। যেমন - *বরইয়ে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। বরইয়ের ভিটামিন সি ইনফেকশনজনিত রোগ যেমন টনসিলাইটিস, ঠোঁটের কোণে ঘা, জিহ্বাতে ঘা, ঠোঁটের চামড়া উঠে যাওয়া ইত্যাদি দূর করে। *বরইয়ের রসকে অ্যান্টি-ক্যান্সার হিসেবে গণ্য করা হয়। এই ফলের রয়েছে ক্যান্সার কোষ, টিউমার কোষ ও লিউকেমিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করার অসাধারণ ক্ষমতা। *যকৃতের নানা রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে বরই। এই ফল যকৃতের কাজ করার ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। *বরই অত্যন্ত চমত্‍কার একটি রক্ত বিশুদ্ধকারক। উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বরই খুবই উপকারী ফল। ডায়রিয়া, ক্রমাগত মোটা হয়ে যাওয়া, রক্তশূন্যতা, ব্রঙ্কাইটিস ইত্যাদি রোগ খুব দ্রুত সারিয়ে তোলে এই ফল। *মৌসুমি জ্বর, সর্দি-কাশিও প্রতিরোধ করে বরই। এছাড়া হজম শক্তি বৃদ্ধি ও খাবারে রুচি বাড়িয়ে তোলে এ ফল।
বরই কেনো খাওয়া প্রয়োজন এতে আছে অবাক করার মতো উপকারিতা বরই পুরুষ থেকে মহিলা ও ছেলে -মেয়ে সবার প্রিয় ফল এই বরই দিয়ে অনেক ধরনের আচার তৈরি করলে অনেক ভালো লাগে আচার খেতে। বরই শুধু আচার তৈরি করতে নয় বরইয়ে খাবারের ফলে আমাদের মানব দেহের অনেক উপকারে আসে যেমন :বরইয়ে৷আছে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়ামসহ আছে নানা উপাদান। এগুলো রোগ প্রতিরোধ করতে যেমন সহযোগিতা ও ভূমিকা রাখে, অন্যদিকে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়িয়ে দিতে সাহায্য করে।
কিন্তু বরই সবার জন্য ভালো হলেও ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য কিন্তু ভালো নয়। পাকা বরইয়ে চিনি থাকে, তাই ডায়াবেটিসের রোগীদের পাকা বরই সাবধানে খাওয়াই ভালো। আর যাঁদের শ্বাসকষ্ট আছে, কাঁচা বরই বেশি খেয়ে ফেললে তাঁদের এ সমস্যা কিন্তু বেড়ে যেতে পারে। কুলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জেনে নিন>> কুলের উপাদানগুলো শরীরে শক্তি জোগায়। অবসাদ কেটে যায় দ্রুত। তাই যারা অবসাদে ভুগছেন, তাঁরা বরই খেতে পারেন।>> কুলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। ফলে এটি সংক্রামক রোগ দূর করতে সহায়তা করে। যেমন: টনসিলাইটিস, ঠোঁটের কোণে ঘা, জিহ্বায় ঘা, ঠোঁটের চামড়া উঠে যাওয়া ইত্যাদি দূর করে।>>কুলের রসকে ক্যানসাররোধী হিসেবে গণ্য করা হয়। এই ফলের রয়েছে ক্যানসার কোষ, টিউমার কোষ ও লিউকেমিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করার অসাধারণ ক্ষমতা।>>যকৃতের নানা রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে এই ফল। যকৃতের কাজ করার ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে।>>কুল অত্যন্ত চমৎকার একটি রক্ত বিশুদ্ধকারক। উচ্চরক্তচাপ ও ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য টক বরই উপকারী ফল। ডায়রিয়া, ক্রমাগত মোটা হয়ে যাওয়া, রক্তশূন্যতা, ব্রঙ্কাইটিস ইত্যাদি রোগ নিরাময়ে কাজ দেয় এই ফল।
>> মৌসুমি জ্বর, সর্দি-কাশিও প্রতিরোধ করে কুল। এ ছাড়া হজমশক্তি বৃদ্ধি ও খাবারে রুচি বাড়িয়ে তোলে এ ফল।>>বরই অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। এটি যকৃতে সুরক্ষা বর্ম তৈরি করে এবং ক্যানসারের বিরুদ্ধেও লড়তে পারে।>>বরই বুড়িয়ে যাওয়া ঠেকায়। বরই বয়সের ছাপ পড়তে বাধা দেয় শরীরে।>> ত্বকের রুক্ষতা দূর করে ত্বককে কোমল করে বরই। রোদে পোড়া ত্বক সুরক্ষার কাজেও কার্যকর।>>বরই কোষ্ঠকাঠিন্যসহ অন্যান্য হজমজনিত সমস্যার সমাধান করে।
এছাড়া ক্ষুধাবর্ধক হিসেবে কাজ করে থাকে।
তাই আমরা সবায় বরই সিজনের সময় কিছু কিছু হলেও খাওয়া প্রয়োজন।Post টি আপনার ভালো লাগলে আপনার Facebook এ একবার শেয়ার
করে অন্যকে জানার সুযোগ করে দিন।
বিস্তারিত আরও কিছু জানার জন্য ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করুণ।যৌন সংক্রান্ত যেকোন সমস্যায় নিঃসংকোচে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। আপনার সমস্যা নির্মূলে যথাযথ ট্রিটমেন্ট দিতে আমরা বদ্ধপরিকর।> আমাদের সেবা সমূহ :-গবেষণালব্ধ আধুনিক হারবাল পদ্ধতিতে যে সকল রোগের চিকিৎসা করা *হাঁপানীএজমা/শ্বাসকষ্ট/পুরাতন কাঁশি* যৌন রোগ/ অক্ষমতা/স্থায়ীত্বহীনতা* ধাতু দূর্বলতা/ধাতু তরল/অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ* প্রস্রাবের আগে ও পরে ধাতুক্ষয়* গনোরিয়া/প্রস্রাবের রাস্তায় পুজ পড়া * সিফিলিস/প্রসাবে জ্বালা যন্ত্রনা* গ্যাষ্ট্রিক/বুক জ্বলা/কোষ্টকাঠিন্য * জন্ডিস অরুচি/বদহজম * ব্রণ/চুলকানী/চর্মরোগ পাইলস্ অর্শ্ব* নতুন ও পুরাতন আমাশয়* ডায়াবেটিস/ঘন ঘন প্রস্রাব * অনিয়মিত মাসিক/সাদাস্রাব (লিকুরিয়া) স্তনের যে কোন সমস্যা,হেপটাইটিস ভি-ভাইরাস VDRL-Reactive,* HBS Ag (+ve) ১০০ % গ্যারান্টিসহ সু-চিকিৎসা দেওয়া হয়।=> শ্বাস-কষ্ট হাঁপানির লক্ষন ও স্থায়ী চিকিৎসা: (১০০% বিফলে ফেরত যোগ্য।) কলিকাতা হারবাল হাকিম ডা:মো: মাহাবুবুর রহমান!(রেজিষ্টার্ড হারবাল স্পেশালিস্ট যৌন. চর্ম .সাস্থ্যহীনতা.মেদভুড়ি. হাঁপানি,বাত বেথা. হেপাটাইটিস (বি -ভাইরাস). অশ্ব গেজ. ও মহিলা রোগে (17 বৎসরের অভিঙ্গতা) বি:দ্র: আপনার কষ্টার্জিত অর্থ বিনষ্ট। না হওয়ার আগেই সঠিক সিদ্ধান্ত নিবেন। ভালভাবে ডা: চেম্বার,ডা:এর শিক্ষাগত যোগ্যতা যাচাই বাচাই করে চিকিৎসা নিবেন। ফেইসবুকে বা অসত্য প্রচারনা থেকে এড়িয়ে চলুন।, কলিকাতা হারবাল মোঃ পুর বাস স্টান্ড আল্লাহ করিম মসজিদ মার্কেট দ্বিতীয় তলা মোঃ পুর ঢাকা , 01971198888 /ইমু নাম্বার 01741331199 http://www.kolikataherbalcare.com/---------------

বাংলাদেশ সময়: ১৮:৩৪:১২ ● ৮৮১ বার পঠিত




আর্কাইভ